Posts

হতাশা

যে কোন বিষয়ে আর হতাশ হইতে চাইনা! আমাদের মাঝে হতাশা তৈরি করা শয়তানের কাজ এবং দায়িত্ব! সব সমস্যা সমাধানে মহান আল্লাহ পাকের উপড় পূর্ণ ভরসা রাখলে এবং সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকলে ইন্সা আল্লাহ ফলটা মঙ্গলজনকই হয়। আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভাল আছি! আল্লাহ সবার উপড় তুমি শান্তি বর্ষণ কর! সবাই ভাল না থাকলে একলা ভাল থেকে কি আর মনে শান্তি পাওয়া যায়??? কখনোই পাওয়া যায় না! হে আল্লাহ, তুমি আমাদের হেদায়েত কর, সঠিক পথ দেখাও-আমিন।।

নকল সাপ্লাইয়ের স্মৃতিঃ

নকল সাপ্লাইয়ের স্মৃতিঃ মনে পড়ে একবার এইচএসসি পরীক্ষায় নকল সাপ্লাই দেয়ার জন্য বুড়িচং গেছিলাম। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষার প্রশ্ন বাহিরে চলে আসল! সেদিন ছিল একাউন্টিং পরীক্ষা। ব্যালেন্স সিট মিলাইয়া বসে আছি, সুযোগ বুঝে পরীক্ষার্থীর কাছে পাঠানো হবে। কিন্তু পুলিশ আর স্যারদের কড়াকড়িতে ঐদিন বেশি একটা সুবিধা করতে পারছিলাম না। এর মধ্যেই দেখলাম আতকা এক তাগড়া যুবক আমাদের কে টপকাইয়া ব্যালেন্স সিট নিয়া হাটু সমান পুকুরের পানি দিয়া তার পরীক্ষার্থীর রুমের জানালা দিয়া যেই নকল টা দিতে যাবে, তখনই পুলিশ আইসা তার বৃহদাকৃতির পাছায় মনের খায়েশ মিটাইয়া দুই-চারটা বারি দিয়া দিল! বেত দিয়া পিডাইয়া তাগড়া যুবকটাকে চক্ষের সামনে তিন বেকা করে ফেলল! তারচেয়েও আশ্চর্যের বিষয় যুবক মাইর খাইয়াও, পুলিশের লগে সমানে তর্ক করতাছে, তর্ক চলতে থাকে সাথে পুলিশের মাইরও চলতে থাকে! আমরাত আশ্চর্য, বোকার মত তর্ক করে যুবক শুধু শুধু মাইর খাচ্ছে! আবার দেখছি একটু দূর থেকে একটা মেয়ে সমানে চিল্লাচ্ছে আর বলছে "এই তুমি চলে আস, পুলিশের লগে তর্ক কইর না, চলে আস।" কাহিনী কিচ্ছু বুঝতাছিনা! এরমধ্যেই আমার...

জীবনকে Control করুন নাহলে জীবন একদিন আপনাকে Control করবে।

মাইকেল জ্যাকসন 150 বছর বাঁচতে চেয়েছিলেন। কারো সাথে হাত মেলাবার সময় দস্তানা পরতেন, মুখে মাস্ক লাগাতেন। নিজের দেখাশোনা করার জন্য বাড়িতে 12 জন ডাক্তার নিযুক্ত করে ছিলেন,যারা তার মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত প্রতিদিন পরিক্ষা করতো।খাবার ল্যাবরেটরিতে পরিক্ষা করে খাওয়ানো হত। প্রতিদিন ব্যায়াম করানোর জন্য 15 জন লোক ছিল। মাইকেল জ্যাকসন 150 বছর বেঁচে থাকার লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ছিলেন। Oxygen যুক্ত বেডে ঘুমাতেন। নিজের জন্য Organ Donar রেডি করে রেখেছিলেন।যাদের সমস্ত খরচ নিজে বহন করতেন,যাতে হঠাৎ দরকার পড়লেই তারা Kidney, Lungs,Eye etc organ মাইকেলকে দিতে পারে। পারলেন না হেরে গেলেন। মাত্র 50 বছরে জীবনে। 25th June 2009 সালে ওনার হৃৎপিণ্ড স্তব্ধ হয়ে গেল। নিজের ঘরে থাকা 12 জন ডাক্তারের চেষ্টা কোনো কাজেই লাগলোনা। Los Angeles, California র সমস্ত ডাক্তার একত্রে চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারলেন না। জীবনের শেষ 25 বছর ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া একপাও চলতেন না। যে নিজেকে 150 বছর বাঁচার স্বপ্ন দেখাতেন। তার স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল। মাইকেল জ্যাকসনের অন্তিমযাত্রা 2.5 million লোক Live দেখেছিল,...

প্রত্যাশা, ভয় ও জ্ঞান

প্রত্যাশা, ভয় ও জ্ঞান এক সুফী দরবেশ, যখন মৃত্যুশয্যায় তার এক সহচর জিজ্ঞেস করল, হে সুফী দরবেশ, "কে আপনার গুরু?" উত্তরে সুফী দরবেশ বলেন, " উহু তার আর দরকার নেই, এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। সময় খুব অল্প। আমি শীঘ্রই মারা যাচ্ছি।" প্রশ্নকর্তা তবুও আবার প্রশ্ন করলেন, "শুধু নামটি যদি বলেন। আপনি এখনও জীবিত, আপনার শ্বাসপ্রশ্বাস আছে, আর আপনি তো কথাও বলতে পারছেন।" তিনি বলেন, "এর উত্তর দেওয়া খুব কঠিন। কারণ আমার গুরুর সংখ্যা হাজারের উপর। শুধুমাত্র তাদের নাম বলতেই মাস লেগে যাবে। আসলেই খুব দেরি হয়ে গেছে। তবে আমি আমার তিনজন গুরুর কথা অবশ্যই বলব। " প্রথমজন এক চোর। অনেকআগে একবার আমি মরুভূমিতে হারিয়ে যাই। এরপর যখন আমি একটি গ্রামে এসে পৌঁছাই তখন গভীর রাত। বাজারের দোকান, সরাইখানা সবকিছু বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তায় কোন জনমানুষ নেই। আমি কথা বলার জন্য কাউকে খুঁজছিলাম। কিছুক্ষন পর রাস্তায় একজনের দেখা পেলাম। সে একটি বাড়ির দেয়ালের পার্শে রাস্তার উপর একটি গর্ত খুঁড়ছিল। তাকে আমি জিজ্ঞেস করলাম, আজ রাতের জন্য আমি কি কোথাও আশ্রয় পেতে পারি? সে আমাকে বলল, আমি একজ...

রোবট অপারেটিং সিস্টেম (ROS)

Image
রোবট অপারেটিং সিস্টেম (ROS) রোবট অপারেটিং সিস্টেম (ROS) রোবট সফ্টওয়্যার লেখার জন্য একটি সহজ/নমনীয় ফ্রেমওয়ার্ক। এতে বিভিন্ন ধরণের রোবোটিক্স প্ল্যাটফর্ম থাকে যাতে রোবট তৈরীর যাবতীয় সরঞ্জাম, লাইব্রেরি এবং সম্মেলনগুলির একটি টোটাল সংগ্রহ থাকে, যা দিয়ে সহজেই জটিল এবং জোরালো রোবট তৈরী করা যায়। ROS আমাদের ল্যাবে রোবট স্থাপনের জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য কাঠামো সরবরাহ করে এবং ন্যাভিগেশন হিসাবে ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার স্ট্যাকগুলি আমাদের রোবটগুলিকে দ্রুততম প্রচেষ্টার সাথে কার্যক্ষম পর্যায়ে পৌঁছাতে দেয়।

মা

                                             মা'র হাতে র রান্না ছোটবেলায় মা'র হাতে রান্না করা মুরগির মাংস, রুই/কাতলা মাছের দোপেয়াজা, কড়া করে ভাজা পুঁটিমাছ, মসুর ডালের চচ্চড়ি দিয়া ভাত খাইতে বেশি ভাল লাগতো। মাসে হয়ত দুই-তিনদিন মুরগি/গরু'র মাংস পাওয়া যেত তাও ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে যদি বাড়িতে মেহমান এর আগমন ঘটতো। তাই মেহমান আসলে আমি খুব খুশি থাকতাম। হেব্বি একটা মুডে থাকতাম। আর যে মেহমান বেশি কইরা মিষ্টি নিয়ে আসত তাদের কে আরো বেশি ভাল্লাগত! দোয়া করতাম, যাতে বাড়িতে দুই-দিন পরপর মেহমান আসে।আমার আব্বা-আম্মাও মেহমানদারি করতে পছন্দ করতেন। নতুন আত্নী য়ের বাড়ি থেকে মেহমান আসলেত হুলস্থুল আয়োজন থাকত। আগে মেহমানকে খাওয়াইয়া তারপর আমরা খাইতাম। মেহমান তৃপ্তি সহকারে খাচ্ছে এটা দেখতে ভাল লাগত! মেহমান এর সংখ্যা বেশি হলে তারা খাওয়ার পর মাঝেমধ্যে আমাদের ভাগ্যে জুটত মুরগির মাংসের সাথে...

রাজনীতি

রাজনীতি যখন তুচ্ছ ব্যক্তিগত রেষারেষির দুষ্টচক্রে বন্ধী হয়ে যায় সেই রাজনীতি থেকে জনস্বার্থমূলক কর্মকাণ্ড আশা করাটা বোকামি।